বৈশ্বিক জাদুঘরের আদর্শমান থেকে পিছিয়ে রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর: মুনীর চৌধুরী
বিজ্ঞান জাদুঘর বর্তমান বৈশ্বিক জাদুঘরের আদর্শমান তার চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকবল, গবেষণার অভাব থাকা সত্বেও বিজ্ঞান জাদুঘর ধীর গতিতে আধুনিকায়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী।
২৫ জুলাই, জাতীয় শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনা বাস্ত বায়নের অংশ হিসেবে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর কর্তৃক সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিমত ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত অংশীজনের সভার স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের কর্মচারী ও কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক অংশ নেন। তারা সেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের উন্নয়নে নানা মতামত রাখেন।
জেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান জাদুঘরের সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত অনলাইনে সরবরাহের পক্ষে মত দেন পরিবেশ অধিদফতরের উপপরিচালক কমল চন্দ্র হাওলাদার।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয় কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মাহমুদ মীম। তিনি তার বক্তব্যে চলমান মহামারীতে বিজ্ঞান জাদুঘরের সম্পর্কে মানুষকে জানাতে ভার্চুয়াল ট্যুরের ব্যবস্থার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আমীর মোহাম্মদ নাসিরুল্লাহ বলেন, অংশীজনের সভায় অনেক মতামত আসছে যা বিজ্ঞান জাদুঘরের একার পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এজন্য অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
দেশের বিভিন্ন জেলায় স্থাপিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে হাব হিসেবে ব্যবহার করে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিজ্ঞান শিক্ষার বিস্তার বৃদ্ধি করতে পারে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন ডুয়েটের অধ্যাপক ড. মো ওবায়দুর রহমান।
পিকেএসএফের পরিচালক ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ বলেন ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়তে হলে বিজ্ঞানের বিকল্প নেই। বিজ্ঞানের দিকে গুরুত্ব না দিলে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব না।







